Posts

Showing posts from February, 2018

নিজের ওয়েব সাইট বানাতে চান?কিছু ঠিকানা যেখানে ডোমেইন হোস্টিং এর ঝামেলা ছারাই ফ্রী ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন।

আমরা অনেকেই চাই আমার একটা ওয়েব সাইট থাকবে  ,সেখানে থাকবে আমার ভাল লাগার না লাগার তথ্য কিংবা চাই একটা ভার্চুয়াল নোট খাতা । যা আমি আমার পছন্দ মত সাজাতে পারব ।আমার সম্পর্কে আর দশ-জন জানবে আমি আর দশ-জন কে জানব  | কিন্তু একটা  ওয়েব সাইট বানান তাকে হোস্টিং করা , নিয়মিত আপডেট করা অনেক ঝামেলার কাজ । এক্ষেত্রে টাকা পয়সা যতটা না ঝামেলার তার চেয়ে বড় ঝামেলা হল সাইট টাকে মেইন্টেন করা । তাই অনেকেই ইচ্ছা থাকা সত্তেও আর করে উঠেন না । তাদের জন্য সুখবর হল বিশ্বব্যাপি অনেক ফ্রি ওয়েব হোস্টিং সাইট আছে যারা তাদের ব্যবহারকারীদের ফ্রি ব্লগ বানাতে দিয়ে থাকে । আর তার ভিতরে উল্লেখ যোগ্য হল: ১. ব্লগস্পটঃ-এটি হল সব থেকে সহজ আর সাবলীল ফ্রি ওয়েব হোস্টিং সাইট । এটা গুগলের আর একটা  সার্ভিস ।যারা ২০০৮ থেকে এই সার্ভিসটা দিয়ে আসছে ।(আমি এই ব্লগটা নিয়ে টিউটেরিয়াল বানাব ) ।আপনার একটা জি-মেইল একাউন্ট থাকলেই আপনিও বানাতে পারেন একাধিক ব্লগ বা ওয়েব সাইট । এখানে আপনি আপনার বানান ব্লগ বা সাইটের উপরে পূর্ন নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন । প্রতি একাউন্টে ১০০ এমবি পর্যন্ত যেকোন ধরনের ফাইল রাখতে পারবেন . ...

পোস্টঅফিস

Image
পোস্টঅফিস সে আকাশ সবসময় মেঘলা। ঘোলাটে, তবে গুমোট নয়। বাতাসে বৃষ্টির গন্ধ কিন্তু ঝেঁপে নামার কোনও লক্ষণ নেই। সে আকাশের নিচে দাঁড়ালে মনকেমন জাঁকিয়ে বসে, অথচ ভালোলাগাটুকুও দিব্যি রয়ে যায় অল্প শীতে গায়ে জড়ানো ভাগলপুরি চাদরটার মত। সে ছলছলে আকাশের নিচে জুবুথুবু এক লাল পাথুরে টিলা। আর সে টিলার  মাথায় ছোট্ট লাল বাড়িটা আদতে একটা পোস্টঅফিস। সে পোস্টঅফিসের ঘর ছোট্ট হলে কী হবে, তা'র ভিতরে জায়গার অভাব নেই। স্তুপ স্তুপ চিঠি জমা হয় সে'খানে। ঘরের এক কোণে এক সাতপুরনো টেবিলের গা ঘেঁষে রাখা এক মচমচে জীর্ণ চেয়ার আলো করে বসে থাকেন পোস্টমাস্টার অনন্তবাবু। এই পোস্টঅফিসে তিনিই পোস্টমাস্টার, তিনিও পিওন, তিনিই আর্দালি। এত কাজ তাঁর অথচ ব্যস্ততা ব্যাপারটা অনন্তবাবুর ধাতে সয় না। মেঘলা হাওয়ার মতই তার মেজাজে সামান্য আয়েশি ফুরফুর রয়েছে সর্বদা, কানে তাঁর সর্বক্ষণ সরোদের আশ্বাস। ফিনফিনে নীল ফতুয়া আর ঢলা পাঞ্জাবিতে একা গোটা পোস্ট অফিস সামাল দিয়ে থাকেন অনন্তবাবু। অবশ্য ব্যস্ত হয়েই বা কী লাভ হত, এ'খানে প্রতি মুহূর্তে স্তুপ স্তুপ চিঠি জমা পড়ে। কোনও কোনও চিঠি দিস্তেদিস্তে অভিমানে সুদীর্ঘ,  কোন...

অনেকেরই বিশ্বাস‚ পাগল নামের প্রজাতিটি গরমকালে বিশেষ দক্ষতার সঙ্গে কামড়ে থাকে

Image
ভদ্রলোকের সন্তর্পণ চাউনি এখনও মনে আছে | সামনে আমার মাঝপথে আটকে যাওয়া অঙ্কের নীরস খাতা‚ উল্টো দিকে বেজায় কৌতূহল নিয়ে আমি‚ আর দরজার পর্দায় একটু আগে হেঁটে যাওয়া এক মনোরোগ চিকিৎসকের ছায়ার ভগ্নাংশ | কেন কৌতূহল হবে না বলুন ? একটু আগেই যে ভদ্রলোকটির সঙ্গে আমার অঙ্কের স্যারের আলাপ করিয়েছি তিনি আমার দাদুর এক বন্ধু—-দাদুর ঘরে যাওয়ার আগে আমার সঙ্গে এক চিলতে আহ্লাদ করছিলেন—-আমিও সৌজন্যের রেয়াজ মেনে স্যারের সঙ্গে ডাক্তার দাদুর আলাপ করিয়েছি | এখন দুটো আপাত অপরিচিত মানুষের পরিচয়ের পর আমার বাজখাঁই মাস্টারমশাইকে রাতারাতি চুপসে যেতে দেখলে অবাক তো হবই | এমন একটা অঙ্ক না মেলা অবধি যথারীতি খাতা পত্তরে আর মন বসানো যাচ্ছিল না | উনি নিজেও বোধহয় বলে হালকা হতে চাইছিলেন‚ না হলে অত সহজে উত্তর জুটত না | ওই প্রথম শুনেছিলাম‚ এক অদ্ভুত তথ্য !মনস্তত্ব নিয়ে যারা পড়াশোনা করে তারা নাকি কাউকে এক ঝলক দেখলেই সব ভিতরের কথা বুঝে ফেলে | মনের খুপড়িতে সাবধানে সরিয়ে রাখা আড়াল কথা‚ গর্হিত চোরাগলি‚ আচমকা অচেনা কারওর কাছে ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা স্বভাবতই সুখের নয় – আর সেই কারণেই নাকি সাইকিয়াট্রিস্ট দাদুকে দেখে স্যার সন্ত্রস্ত | ...

কলেজের দিনগুলি

সেদিন ছিল আমার কলেজের প্রথমদিন । স্কুলের গন্ডি পেরোনোর পর এ এক অদ্ভুদ স্বাধীনতা আমার কাছে, শুধু আমার কেন , আমার মনে হয় অনেকের কাছেই তা সত্যি । মনের কোথাও যেন নিজেকে বড় বলে অনুভব করতে লাগলাম । প্রথমদিকে বেশ নার্ভাস ছিলাম । নতুন জায়গা , নতুন বন্ধুবান্ধব , নতুন কিছু অভ্যেস – সবই নতুন । এসবকিছুর সাথে নিজেকে কতটা মানিয়ে নিতে পারব , আদৌও মানিয়ে নিতে পারব কিনা – তা নিয়ে একটা ভয় কাজ করত আমার মনে । কলেজে প্রথম দু’ দিন যাওয়ার পর মনে হয়েছিল এরচেয়ে ঢের ভালো ছিল স্কুল , স্কুলের বন্ধুবান্ধব , সেখানকার পরিবেশ -কেন যে চোখের পলকে সেদিনগুলো শেষ হয়ে গেল….আমি ভাবতাম আর দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলতাম । তারপর ধীরে ধীরে এসকল জিনিসের প্রতি আমার বিতৃষ্ণা কবে যে দূর হয়ে গেল তা বুঝতেও পারলাম না আর এও বুঝতে পারলাম না যে সে সকল জিনিসের সাথে আমি নিজেকে মানিয়ে নিয়েছিলাম না সে সকল জিনিস আমার সাথে নিজেদেরকে মানিয়ে নিয়েছিল, নাকি মানিয়ে নেওয়াটা ছিল দু’তরফ থেকেই…। মনে পড়ে কলেজের প্রথম বছরে শীতের এক সকালে আমি কলেজ ক্যান্টিনে বসে জানালা দিয়ে আসা রোদের মিষ্টতার সাথে চায়ের কড়া মেজাজ উপভোগ করছিলাম । তখন বাজে প্রায় পৌনে ন’টা । ক্য...

Choices, Good or Bad ?

Choices, Good or bad ? If life has two choices ,”Yes” or “No” to move forward , choose yes for no regrets . To move backwards say choose “No” for no regrets . There is nothing like good or bad when it depends upon judgement. Output should be more understanding and gain wisdom.☺☺☺☺☺

সবাই ঠিকই ধরেছেন, উনি পেশায় একজন চিকিৎসক!

রাজারবাগে গ্রীন লাইন কাউন্টারে বসে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। আমার ঠিক উল্টো পাশে বসে মধ্যবয়সী এক ভদ্রলোক পত্রিকার পাতায় চোখ বুলাচ্ছিলেন। তার পাশেই বসে ছিল ২০-২২ বছর বয়সী টগবগে এক তরুন যার চোখ আটকে ছিল হাতে থাকা স্মার্ট ফোনের পর্দায়। মাঝে মাঝেই তরুনের অস্থির চোখ স্মার্ট ফোনের পর্দা থেকে সরে চলে যাচ্ছিল ভদ্রলোকের হাতে থাকা পত্রিকার দিকে। এক সময় পত্রিকায় প্র্কাশিত স্বাস্থ্য বিষয়ক এক নিউজকে কেন্দ্র করে দুই জনের আলাপ শুরু হয়। আলাপ বলার চেয়ে তর্ক বলাই ভালো। কিছুক্ষনের ভেতর  তরুনের উত্তেজিত কন্ঠস্বর জানিয়ে দিল মধ্যবয়সী মানুষটার স্বাস্থ্য বিষয়ক নলেজের যথেস্ট ঘাটতি আছে। হাতের স্মার্ট ফোনটা দেখিয়ে বলল, ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটির মাধ্যমে সে স্বাস্থ্য বিষয়ক অনেক কিছু শিখেছে। মধ্যবয়সী মানুষটাকে পরা্মর্শ দিল তিনি যেন অচিরেই নিজেকে আপডেট করে নেন। মধ্যবয়সী মানুষটার কথা বলার ভংগি ছিল শান্ত এবং স্পষ্ট যা আমাকে বেশ আকৃষ্ট করেছিল। তাই তরুনের প্রস্থানের সাথে সাথেই আমি ওনার পাশে যেয়ে বসলাম এবং ওনার পেশা জানতে চাইলাম। সবাই ঠিকই ধরেছেন, উনি পেশায় একজন চিকিৎসক!

ওপার থেকে

# ওপার  থেকে # ( বনলতা সরকার ) নানাবিধ গানে সরগম বাড়ি সকাল থেকেই,  ব্যস্ত সবাই ফিরেও দেখছে না কেউ ----আমাকে, গেরুয়া বসনে আবৃত একদল কীর্তনে মত্ত হয়ে আছে। কচিকাঁচার দল ছুটে বেড়াচ্ছে -----বাড়িময়। পুরো উঠোন জুড়ে খাটানো হয়েছে ত্রিপল, তিন রকমের মাছ এসেছে ----বাড়িতে, অথচ, আমি ওগুলো খাই ই না, ভাববার সময় নেই ----কারোরই, ----তোমারও। বরাবরই তুমি ভাবতে না ----আমার কথা, কই? তোমার মুখে তো নেই কোনো বিষাদের চিহ্ন? হাসি হাসি মুখে তদারকি করছো ----খাওয়ার, সাদা পাঞ্জাবিটা দারুন মানিয়েছে কিন্তু ----তোমাকে, আর, বা হাতের কবজিতে সোনালি ঘড়িটা, নতুন কিনেছ বোধহয় । কিন্তু, তুমি তো ঘড়ি পরতে না! ভীষন শখ ছিল আমার ----একটা সোনালি ঘড়ির, হালকা জাম রঙের তাঁতের শাড়ির সাথে সেই রকম একটা ঘড়ি পরে তোমার হাত ধরে কত বেড়িয়েছি ----কল্পনায় । একটা সোনালি ঘড়ি যা শুধু সময় দেখার জন্য নয়, ----বোঝনি তুমি। একসাথে কাটানো এতগুলো বছরের মধ্যে জানতে চাওনি একদিনও -----জন্মদিন কবে আমার? একবুক অভিমান নিয়ে চোখের জলে পার করতাম নীরবে ----জন্মদিনের দিনটা । ভুলে যেতে বিয়ের দিনটাও, কিভাবে মনে রেখেছ? ----আজকের তারিখটা...

ঠিকানা

ঠিকানা অপূর্ব চক্রবর্ত্তী সেই যেদিন তুমি ঠিকানা পাল্টালে, সেদিন থেকেই খুঁজে চলেছি তোমায়- কখনো সমুদ্রের উথাল পাথাল স্পন্দনে, কখনো নিঃসীম আকাশের হাহুতাশে, কখনো বাতাসের তীব্র ঝাপটের অক্ষে। কখনো সোনালী চিলের ডানায়, পদ্মের বনে,ভ্রমরের গানে,চাঁদের কলঙ্কে, ছোট ছোট ঘাসফুলে,পাখিদের রঙিন পালকে, অতীতের ইতিহাস কে খুঁজছি ক্রমাগত এক শরীর ভবিষ্যতের আশা মেখে। তোমার অতীতে বন্ধক আমার ভবিষ্যৎ। কে যেন শুধু কানে কানে বলে যায়-- একটা ঠিকানা খুঁজে পাওয়া চাই, যেখানে তোমার অতীত আর আমার ভবিষ্যত মিলেমিশে শুধু বর্তমান হবে। ************* 20.02.2018. source

##অশরীরি প্রেম## @সুবর্ণা@

অদৃশ্য ধোঁয়াশার মত আমার শরীর, মনকে আলিঙ্গন করো তুমি--- ঘুমের মধ্যে জাগরনে সমস্ত ইন্দ্রিয়কে সজাগ রেখে অনুভব করি-- কেউ আছে আমার পাশে। কে তুমি? -----কে???  নিস্তব্ধ রাতে স্বপ্নানুভবে আমার কপালে তোমার শীতল হাতের ছোঁয়ায়, যখন ঘুম ভেঙে যায়----- ভীষন ভয় পেয়ে নিন্দ্রা জড়ানো চোখে চারিদিক খোঁজে ফেরে, অন্ধকারে মরীচিকার হাতছানি। জল তেষ্টায় বুক ফেটে যায়--- কে তুমি? ----কে??? হাজার মাইল দূর থেকে ডেকে যাও আমাকে, চেনা সুর তবুও অচেনা--- তোমার শরীরের গন্ধ পাই, স্পর্শ করতে চাই কিন্তু পারিনা--- এই আছো---এই নেই, অনুভবের মায়াজাল ছিন্ন করে সশরীরে দেখা দাও প্রিয়,তোমার অশরীরি প্রেম যে মানবের গ্রহনীয় নয়---- কে তুমি?----কে??? # # অশরীরি  প্রেম## @সুবর্ণা@                                                           @ source link @

দিল্লির রেড ফোর্টঃ অনিন্দ্য মুঘল নিদর্শন

Image
লাল কেল্লা সপ্তদশ শতাব্দীতে মুঘল সম্রাট শাহজাহান দিল্লিতে নির্মাণ করেন। এটা বিশাল প্রাচীর বিশিষ্ট একটি দুর্গ। ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত এই দুর্গটি ছিল মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে। তারপর ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশরা এই দুর্গটিকে একটি সামরিক ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করে।  মুঘল সাম্রাজ্যের অন্যতম নিদর্শন দিল্লির রেড ফোর্ট বা লাল কেল্লা। অপূর্ব নির্মাণশৈলীর লাল রঙের বিশাল এ স্থাপনাটি ভারতের সমৃদ্ধ প্রাচীন স্থাপত্যকলার অন্যতম উদাহরণ। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসও জড়িয়ে আছে দিল্লির এ কেল্লার সঙ্গে। ১৬৩৮ সালে সম্রাট শাহজাহান এই কেল্লাটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। প্রথম দিকে এর নাম ছিল কিলা-ই-মুবারক। কারণ এই দুর্গে সম্রাটের পরিবারবর্গ বাস করতেন। দুর্গটি যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত। এই নদীর পানিতে পুষ্ট হতো দুর্গের পরিখাগুলো। এর উত্তর-পূর্ব কোণের প্রাচীর সালিমগড় দুর্গ নামে অপর একটি প্রাচীন দুর্গের সঙ্গে সংযুক্ত। ১৫৪৬ সালে ইসলাম শাহ সুরি এই প্রতিরক্ষা দুর্গটি নির্মাণ করেছিলেন। লাল কেল্লার পরিকল্পনা ও সাজসজ্জা শাহজাহানের শাসনকালে মুঘল স্থাপত্য ও চিত্রকলার উৎকর্ষের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। প্রকৃতপক্ষে লাল কেল্...

10 Killer Ways To Promote YouTube Videos For Higher Traffic

Image
Skip to primary navigation Skip to content Skip to primary sidebar     VIDEO MARKETING 10 Killer Ways To Promote YouTube Videos For Higher Traffic Do you have a YouTube channel & publish videos regularly? It doesn’t matter how much time you put into creating your videos; if you are not marketing & promoting your videos, your work will never be seen by the majority of your target audience. But YouTube video promotion is an art which anyone can learn… with a little discipline. In this guide, I have shared strategies and techniques that you can follow to market & promote your YouTube videos. These tips are tested, proven, and work for videos from almost every niche. Think of this post as a checklist that you need to follow once you are done producing your videos. So without further delay, let’s learn the art of YouTube video promotion! How To Promote A YouTube Video & Get More Views I have covered all major promotio...