ওপার থেকে
#ওপার থেকে #
( বনলতা সরকার )
( বনলতা সরকার )
নানাবিধ গানে সরগম বাড়ি
সকাল থেকেই,
ব্যস্ত সবাই
ফিরেও দেখছে না কেউ
----আমাকে,
গেরুয়া বসনে আবৃত একদল
কীর্তনে মত্ত হয়ে আছে।
কচিকাঁচার দল ছুটে বেড়াচ্ছে
-----বাড়িময়।
সকাল থেকেই,
ব্যস্ত সবাই
ফিরেও দেখছে না কেউ
----আমাকে,
গেরুয়া বসনে আবৃত একদল
কীর্তনে মত্ত হয়ে আছে।
কচিকাঁচার দল ছুটে বেড়াচ্ছে
-----বাড়িময়।
পুরো উঠোন জুড়ে
খাটানো হয়েছে ত্রিপল,
তিন রকমের মাছ এসেছে
----বাড়িতে,
অথচ, আমি ওগুলো খাই ই না,
ভাববার সময় নেই
----কারোরই,
----তোমারও।
খাটানো হয়েছে ত্রিপল,
তিন রকমের মাছ এসেছে
----বাড়িতে,
অথচ, আমি ওগুলো খাই ই না,
ভাববার সময় নেই
----কারোরই,
----তোমারও।
বরাবরই তুমি ভাবতে না
----আমার কথা,
কই? তোমার মুখে তো
নেই কোনো বিষাদের চিহ্ন?
হাসি হাসি মুখে তদারকি করছো
----খাওয়ার,
সাদা পাঞ্জাবিটা দারুন মানিয়েছে কিন্তু
----তোমাকে,
আর, বা হাতের কবজিতে
সোনালি ঘড়িটা,
নতুন কিনেছ বোধহয় ।
কিন্তু, তুমি তো ঘড়ি পরতে না!
----আমার কথা,
কই? তোমার মুখে তো
নেই কোনো বিষাদের চিহ্ন?
হাসি হাসি মুখে তদারকি করছো
----খাওয়ার,
সাদা পাঞ্জাবিটা দারুন মানিয়েছে কিন্তু
----তোমাকে,
আর, বা হাতের কবজিতে
সোনালি ঘড়িটা,
নতুন কিনেছ বোধহয় ।
কিন্তু, তুমি তো ঘড়ি পরতে না!
ভীষন শখ ছিল আমার
----একটা সোনালি ঘড়ির,
হালকা জাম রঙের
তাঁতের শাড়ির সাথে
সেই রকম একটা ঘড়ি পরে
তোমার হাত ধরে
কত বেড়িয়েছি
----কল্পনায় ।
----একটা সোনালি ঘড়ির,
হালকা জাম রঙের
তাঁতের শাড়ির সাথে
সেই রকম একটা ঘড়ি পরে
তোমার হাত ধরে
কত বেড়িয়েছি
----কল্পনায় ।
একটা সোনালি ঘড়ি
যা শুধু সময় দেখার জন্য নয়,
----বোঝনি তুমি।
একসাথে কাটানো এতগুলো বছরের মধ্যে
জানতে চাওনি একদিনও
-----জন্মদিন কবে আমার?
একবুক অভিমান নিয়ে
চোখের জলে পার করতাম নীরবে
----জন্মদিনের দিনটা ।
যা শুধু সময় দেখার জন্য নয়,
----বোঝনি তুমি।
একসাথে কাটানো এতগুলো বছরের মধ্যে
জানতে চাওনি একদিনও
-----জন্মদিন কবে আমার?
একবুক অভিমান নিয়ে
চোখের জলে পার করতাম নীরবে
----জন্মদিনের দিনটা ।
ভুলে যেতে বিয়ের দিনটাও,
কিভাবে মনে রেখেছ?
----আজকের তারিখটা?
কই, ভোলনিতো?
আয়োজনের কোথাও নেই
----এতটুকু ত্রুটি,
বড় ফ্রেমে বাঁধানো ছবিটাতেও
সূক্ষ্মভাবে এঁকেছ
চন্দনের কলকা,
ঠিক যেভাবে পুরো কপাল
সেজে উঠেছিল
----বিয়ের দিন।
কিভাবে মনে রেখেছ?
----আজকের তারিখটা?
কই, ভোলনিতো?
আয়োজনের কোথাও নেই
----এতটুকু ত্রুটি,
বড় ফ্রেমে বাঁধানো ছবিটাতেও
সূক্ষ্মভাবে এঁকেছ
চন্দনের কলকা,
ঠিক যেভাবে পুরো কপাল
সেজে উঠেছিল
----বিয়ের দিন।
মোটা রজনীগন্ধার মালার ভার
---সইতে পারছি নাগো,
সেই সকাল থেকে কাঁচের প্লেটে
দিয়ে রেখেছ---চারটে মিষ্টি,
তুমি তো জানতে
অত সময় খোলা কোনো খাবার
----খাই না আমি।
---সইতে পারছি নাগো,
সেই সকাল থেকে কাঁচের প্লেটে
দিয়ে রেখেছ---চারটে মিষ্টি,
তুমি তো জানতে
অত সময় খোলা কোনো খাবার
----খাই না আমি।
আজ আমি শুধু একটা উপলক্ষ্য
---উৎসবের,
বেঁচে থাকতে একটা জন্মদিনের উৎসব
পারো নি দিতে
---উপহার,
আমি অন্ততঃ দিতে পেরেছি
উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠার
-----একটা মৃত্যুদিন,
তোমাদেরকে,
---উৎসবের,
বেঁচে থাকতে একটা জন্মদিনের উৎসব
পারো নি দিতে
---উপহার,
আমি অন্ততঃ দিতে পেরেছি
উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠার
-----একটা মৃত্যুদিন,
তোমাদেরকে,
একটা শরীর আর অ -শরীরের
মাঝখানে বয়ে গেছে বহু আকাঙ্খা,
একটা জন্মদিনকে হত্যা করে
কত সহজেই,
উৎসব মুখরিত হয়ে উঠতে পারো
তোমরা -----
-----একটা মৃত্যু দিনে।
মাঝখানে বয়ে গেছে বহু আকাঙ্খা,
একটা জন্মদিনকে হত্যা করে
কত সহজেই,
উৎসব মুখরিত হয়ে উঠতে পারো
তোমরা -----
-----একটা মৃত্যু দিনে।
****************************************
Comments