সবাই ঠিকই ধরেছেন, উনি পেশায় একজন চিকিৎসক!
রাজারবাগে গ্রীন লাইন কাউন্টারে বসে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। আমার ঠিক উল্টো পাশে বসে মধ্যবয়সী এক ভদ্রলোক পত্রিকার পাতায় চোখ বুলাচ্ছিলেন। তার পাশেই বসে ছিল ২০-২২ বছর বয়সী টগবগে এক তরুন যার চোখ আটকে ছিল হাতে থাকা স্মার্ট ফোনের পর্দায়। মাঝে মাঝেই তরুনের অস্থির চোখ স্মার্ট ফোনের পর্দা থেকে সরে চলে যাচ্ছিল ভদ্রলোকের হাতে থাকা পত্রিকার দিকে। এক সময় পত্রিকায় প্র্কাশিত স্বাস্থ্য বিষয়ক এক নিউজকে কেন্দ্র করে দুই জনের আলাপ শুরু হয়। আলাপ বলার চেয়ে তর্ক বলাই ভালো। কিছুক্ষনের ভেতর তরুনের উত্তেজিত কন্ঠস্বর জানিয়ে দিল মধ্যবয়সী মানুষটার স্বাস্থ্য বিষয়ক নলেজের যথেস্ট ঘাটতি আছে। হাতের স্মার্ট ফোনটা দেখিয়ে বলল, ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটির মাধ্যমে সে স্বাস্থ্য বিষয়ক অনেক কিছু শিখেছে। মধ্যবয়সী মানুষটাকে পরা্মর্শ দিল তিনি যেন অচিরেই নিজেকে আপডেট করে নেন। মধ্যবয়সী মানুষটার কথা বলার ভংগি ছিল শান্ত এবং স্পষ্ট যা আমাকে বেশ আকৃষ্ট করেছিল। তাই তরুনের প্রস্থানের সাথে সাথেই আমি ওনার পাশে যেয়ে বসলাম এবং ওনার পেশা জানতে চাইলাম।
সবাই ঠিকই ধরেছেন, উনি পেশায় একজন চিকিৎসক!
Comments