মহারাজ বীরভদ্র নির্ধারিত দিনে শিকারের জন্য যাত্রা করলেন। অনবদ্য শিকারি হিসাবে তিনি সর্বজন বিদিত। কিছুকাল আগেও তিনি শিকারে গিয়েছিলেন। তা ছিল নেহাতই নিজের দক্ষতাকে শাণিত করার প্রয়োজনে। কিন্তু এবারে বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় আর প্রজাদের মঙ্গলসাধনের সৎ ইচ্ছায় তিনি তার রাজধানী ‘বসুন্ধরা’ পুরনগরীকে যথাসম্ভব আধুনিক করে তুলেছেন। তার মানসনগরী বাস্তবায়িত করার জন্য তিনি যেমন তার প্রজাদের কাছ থেকে সম্ভ্রম ও আনুগত্য আদায় করেছেন, তেমনই ভিনদেশী রাজন্যবর্গের ঈর্ষাও তাকে আমোদিত করেছে। রাজধানী ব্যতীত রাজ্যব্যাপী তার নগরায়নের পরিকল্পনাও কারও অজানা নয়। এ হেন রাজ্যে খোদ রাজধানীতে অযাচিত এক উপদ্রবের সূত্রপাত হয়েছে, যাতে মহারাজ বীরভদ্রের গর্ব আহত। বসুন্ধরা নগরীর একধারে রয়েছে রাজ্যেরই অন্তর্গত এক নিবিড় অরণ্য। যে অরণ্যকে আংশিক ভাবে বাসভূমিতে পরিবর্তন করেছিলেন মহারাজ বীরভদ্রের পূর্বপুরুষগণ। বংশানুক্রমিক ভাবে সেই বাসভূমিই বিবর্তিত আর পরিবর্ধিত হয়েই আজকের মহারাজ বীরভদ্রের রাজ্য এবং তার অন্তর্গত বসুন্ধরা নগরী। এই সেই অরণ্য, কৈশোরে যেখানে তিনি হরিণ, খরগোশ ইত্যাদি শিকার করা শিখেছেন। যৌবনক...
Comments